| বিযুক্তি রেখা | সীমানা | গভীরতা |
|---|---|---|
| কনরাড (Conrad) | বহিঃ ও অন্তঃ ভূত্বক | ৪৫ কিমি |
| মোহো (Moho) | ভূত্বক ও গুরুমণ্ডল | ১০০ কিমি |
| রেপিত্তি (Repitti) | ঊর্ধ্ব ও নিম্ন গুরুমণ্ডল | ৭০০ কিমি |
| গুটেনবার্গ (Gutenberg) | গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল | ২৯০০ কিমি |
| লেহম্যান (Lehmann) | বহিঃ ও অন্তঃ কেন্দ্রমণ্ডল | ৫২০০ কিমি |
সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ ভূত্বক (SIAL)। সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ গুরুমণ্ডল (SIMA)। নিকেল ও লোহা সমৃদ্ধ কেন্দ্রমণ্ডল (NIFE)।
ভূত্বক থেকে কেন্দ্রমণ্ডল পর্যন্ত ৫টি প্রধান বিযুক্তি রেখা (মোহো, গুটেনবার্গ)। শিলামণ্ডল ও দুর্বল সান্দ্র অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার।
ভূগর্ভের দেহ তরঙ্গ (পি ও এস) এবং ধ্বংসাত্মক পৃষ্ঠ তরঙ্গ (এল-তরঙ্গ)। তীব্রতার রিক্টার স্কেল ও ক্ষয়ক্ষতির মার্সেলি স্কেল।
ভূগর্ভের ভূমিকম্পের কেন্দ্র ও ভূপৃষ্ঠের উপকেন্দ্র। তরঙ্গের প্রতিসরণ ও মাধ্যমের পরিবর্তনের জন্য সৃষ্ট পি ও এস ছায়া বলয়।
অ্যাস্থেনোস্ফিয়ারের ওপর ভাসমান শিলামণ্ডলীয় পাতসমূহ। ৭টি প্রধান বৃহৎ পাত (প্রশান্ত মহাসাগরীয়, ইউরেশিয়ান) ও ছোট পাতসমূহ।
নতুন ভূত্বক সৃষ্টিকারী প্রতিসারী সীমানা, ধ্বংসাত্মক অভিসারী সীমানা এবং সংরক্ষণশীল নিরপেক্ষ সীমানা।
| সীমানার ধরন | প্রতিসারী (Divergent) | অভিসারী (Convergent) | নিরপেক্ষ (Transform) |
|---|---|---|---|
| গতি | পরস্পর থেকে দূরে (Spreading) | পরস্পরের অভিমুখে (Subduction) | পাশাপাশি ঘর্ষণ (Lateral sliding) |
| প্রভাব | সৃজনশীল (নতুন ভূত্বক তৈরি) | ধ্বংসাত্মক (ভূত্বকের বিনাশ) | রক্ষণশীল (তৈরি বা ধ্বংস নয়) |
| ভূমিখণ্ড | মধ্য-সামুদ্রিক শৈলশিরা, গ্রস্ত উপত্যকা | সামুদ্রিক খাত (Trench), ভঙ্গিল পর্বত | চ্যুতি রেখা (Faults) |
| অগ্নুৎপাত | হ্যাঁ (Volcanoes) | হ্যাঁ | না |