গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (Ghiyasuddin Tughlaq: 1320-1325 AD):
- গাজী মালিক নামে পরিচিত। খসরু খাঁকে হত্যা করে এই বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তুঘলকাবাদ শহর ও দুর্গ নির্মাণ করেন।
মুহাম্মদ বিন তুঘলক (Muhammad Bin Tughlaq: 1325-1351 AD):
- সাম্রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তন সবচেয়ে বড় ছিল। Elphinstone ও Kafi Khan তাঁকে 'পণ্ডিত মূর্খ' (Wisest fool) বলেন। তাঁর সময়ে মরক্কোর পরিব্রাজক ইবন বতুতা (Ibn Battuta) ভারতে আসেন এবং 'রেহলা' (Rihla) রচনা করেন। জিয়াউদ্দিন বারানি তাঁর দরবারে ছিলেন।
- বিতর্কিত নীতি: দোয়াবে কর বৃদ্ধি (১৩২৬ খ্রি.), দিল্লী থেকে দেবগিরি বা দৌলতাবাদে রাজধানী স্থানান্তর (১৩২৭ খ্রি.), খোরাসান ও কারাজল অভিযান, প্রতীকী ব্রোঞ্জ/তাম্র মুদ্রার প্রচলন (Token Currency - ১৩৩০ খ্রি.)।
- অন্যান্য: সৈন্যদের নগদ বেতন বা জমি বরাদ্দ (Wajeva) দেওয়া হতো। জিজিয়াকে প্রথমবার আলাদা কর হিসেবে ধার্য করা হয়। দিওয়ান-ই-কোহি (কৃষি বিভাগ) এবং দিল্লীতে দার-উল-শিফা (হাসপাতাল) প্রতিষ্ঠা করেন।
ফিরোজ শাহ তুঘলক (Firoz Shah Tughlaq: 1351-1388 AD):
- ৪টি কর প্রবর্তন করেন (খরাজ - ১/১০ অংশ, যাকাত - ২.৫%, জিজিয়া - অ-মুসলিমদের কর, খামস - ১/৫ যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) এবং জল কর (Haque-i-Sharb) ধার্য করেন।
- ফতেহাবাদ, হিসার, জৌনপুর ও ফিরোজাবাদ শহর প্রতিষ্ঠা করেন। ইকতা প্রথা বংশানুক্রমিক করেন।
- বিভাগ: দিওয়ান-ই-খয়রাত (দরিদ্র বালিকাদের বিবাহ), দিওয়ান-ই-বান্দাগান (দাস বিভাগ), দিওয়ান-ই-ইস্তিহাক (পেনশন)। তাঁর উজির ছিলেন খাঁন-ই-জাহান মকবুল।
তৈমুর লঙের ভারত আক্রমণ (Timur Invasion: 1398 AD):
- শেষ তুঘলক শাসক নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ তুঘলকের আমলে তৈমুর দিল্লী লুণ্ঠন করেন।